ক্রমশ বেড়েই চলেছে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের সংখ্যা। রোজ অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন হার্টজনিত নানা সমস্যায়। সুস্থ থাকতে তাই হার্ট সুস্থ রাখার বিকল্প নেই। পরিচিত কিছু উপসর্গ আমরা নিজের অজান্তেই অবহেলা করি। আর এগুলোই হতে পারে হৃদযন্ত্রের সমস্যার ইঙ্গিত।
হার্ট অ্যাটাক
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর মানসিক চাপের কারণে বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। দিনের যেকোনো সময়ই হৃদপিণ্ডজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসা পরিভাষায় 'বাথরুম স্ট্রোক' বলে নির্দিষ্ট কোনো রোগ না থাকলেও বেশিরক্ষেত্রেই দেখা যায় স্ট্রোক (Stroke) বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের (Cardiac Arrest) মতো ঘটনাগুলো বাথরুমেই হচ্ছে।
হার্ট অ্যাটাক মানে আতঙ্কের নাম। হৃদরোগের কী কী উপসর্গ হয় তা সম্পর্কে ধারণা আছে অনেকেরই। আচমকা বুকে ব্যথা, সারা শরীরে ঘাম হওয়া, চোখের সামনে অন্ধকার দেখা— এগুলো সবই হৃদরোগের উপসর্গ।
হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক এই দুই সমস্যাকে একই মনে করে আমরা গুলিয়ে ফেলি। উভয় সমস্যাই গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন, কিন্তু এদের উৎপত্তির স্থান ও প্রক্রিয়া ভিন্ন।
শীত এলেই হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ, সামান্য কিছু ভুলেই বিপদ নেমে আসতে পারে। শীতে অনেকেই গরম পানি দিয়ে গোসল করেন।
শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) কার্জন হলের ভেতরে সংবাদ সংগ্রহ করার সময় হার্ট অ্যাটাকে তরিকুল ইসলাম শিবলী (৪০) নামে এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি চ্যানেল এস টেলিভিশনের সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
হাসপাতালে ভর্তি থাকা হার্টের রোগীদের দেখতে রাউন্ড দিচ্ছিলেন হার্টের চিকিৎসক গ্র্যাডলিন রায়।
হার্ট অ্যাটাককে অনেকেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ভেবে বসেন। দুইয়ের মধ্যে অনেকটাই পার্থক্য আছে। লক্ষণও আলাদা। হৃদযন্ত্রের দুই সমস্যাই প্রাণঘাতী, তবে হার্ট অ্যাটাকে রোগীকে বাঁচানোর কিছু সময় অন্তত পাওয়া যায়।